দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাদারীপুর সদর হাসপাতালে এক শ্রমিকের মরদেহ ৯ ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অখিল সরকারের পদত্যাগ, বিচার ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন নিহতের স্বজনেরা। মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালের সামনে এ বিক্ষোভ করেন তারা।
নিহত সাইম শহরের আমিরাবাদ এলাকার শামসু মোল্লার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকায় সাইফুল ইসলামের নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাই গ্লাসের কাজ করছিলেন সাইম। এ সময় ভবনসংলগ্ন বিদ্যুতের খুঁটির সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে ময়নাতদন্তের কথা বলে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। তবে নিহতের স্বজনেরা ময়নাতদন্ত না করার অনুমতি নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে যান। অনুমতি নিয়ে হাসপাতালে ফিরে লাশ নিতে গেলে জটিলতার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে লাশ শনাক্তকরণের কাগজ দিতে গড়িমসি করে কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে আরএমও ডা. অখিল সরকারের পদত্যাগ, বিচার ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।
পরে রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানা ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ হাসপাতালে গিয়ে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর লাশটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা বলেন, মরদেহ হাসপাতালে আটকে রাখার খবর শুনে আমি এখানে এসেছি। জেলা প্রশাসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই